খসখসে থেকে ক্রমশই মসৃণ হচ্ছে- জড় পাথরের প্রতিবন্ধকেরা; ঘিজগিজে দমবদ্ধতা নিয়তই সরে দাড়াচ্ছে, ঘিরে ধরছে অস্থির ক্রমবাচকেরা । নখের বালুময় ময়্লাগুলো পরিণত হচ্ছে জঘন্য হলুদ পুজে- যেন তারা সদ্য নিযুক্ত অম্লীয় কষ্টের সহচর, যাযাবরবৃত্ত্বি দিন ছেড়ে বেছে নিচ্ছে রাতকে- যেন পা দুটো পতঙ্গাবৃত নিশাচর ।
বদলে যাচ্ছে এমন অনেক কিছুই! জীবন্ত মানবেরা চালিত হচ্ছে সুতায়, আর যান্ত্রিক কাঠপুতুলেরা হাটছে অবাধে । নীতিনির্ধারকেরা নীতি বিলাচ্ছে টেবিলের তলায়, আর গর্জে উঠা গুটিকয়েকের হুংকার "প্রলাপ" বলে বিকায় । গাধারা হচ্ছে কবি, আর কবিরা হচ্ছে ছবি । সৌন্দর্যের অর্থ হয়ে দাড়াচ্ছে লালসা, আর অক্ষিগোলক বাড়াচ্ছে পিপাসা- " অন্ধত্বের " । কোলাহল আঁধার আচ্ছন্নতা, বদ্লাচ্ছে সবাই ।
বদ্লাচ্ছে না কেবল সেই প্রাচীন যাত্রা- ছুটছে অবিরাম । ক্লান্তিহীনতার পিছনে ছুটে উজবুকের দল হচ্ছে ক্লান্ত- আর মেকি আশ্বস্ততায় গলা ফাটাচ্ছে, "জয়ী আমরাই" । বদ্লাচ্ছে না কবল ওই সুশীল শিল্পীরা; টক শো,ঝাল শো'র নামে যারা বাজারদরে বিকাচ্ছে- বাঙালীত্বের সনদ! আর স্মিতহাস্যে হরহামেশাই বলছে, "বাঙালী আমরাই" ।
গেলা উগলানোর এই হাস্যকর পাঠ্যসভ্যতায়- বদ্লাচ্ছে না কেবল আমাদের দেশপ্রেম, যা গিলেছিলাম সেই কবে- কিন্ত আজ ও উগলানোর নাম নেই ।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
সূর্য N/A
বাহ্ দারুন তো। রূপ বদলে যে এভাবে আমাদের অক্ষমতা সামনে এসে দাড়াবে ভাবিনি। মাঝে মাঝে মনে হয় এই যে আমাদের অবস্থান বদলাচ্ছে না হয়ত আমরাই প্রতিবন্ধক হয়ে আছি। উগরে দিতে পারলেই হয়তো সব একাকার হয়ে যেত। ছুটে চলা হড়কা বানের মতো। দারুন হয়েছে কবিতা।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।